April 20, 2026, 5:15 am

বন্ধ হবে কি ? দেহ ব্যবসার নামে সামাজিক অবক্ষয়!

বিশেষ প্রতিনিধি:
কেউ করছে ভুয়া লাইসেন্স দিয়ে, আবার কেউ করছেন ক্ষমতা দেখিয়ে।

প্রশ্ন: হলো প্রশাসন কি করছে?
২য় প্রশ্ন সাংবাদিক বা গণমাধ্যম কি করছে?

আইন প্রয়োগ ও রক্ষাকারীগণ কি বলছেন!
বাস্তবতা প্রচারকারীগন কি দেখছেন!
এমন হাজারো বে-আইন বর্তমানে আইনের গতিতে চলছে।
সরকার হারাচ্ছে নিয়ন্ত্রণ! জনগণ হারাচ্ছেন জাতীয় মান মর্যাদা।
সরকারের বিধিমালা উপেক্ষা করে চলছে এসব ব্যবসা নামের সামাজিক অবক্ষয়।
ঢাকার অলিতে গলিতে গড়ে উঠেছে আবাসিক হোটেল নামের দেহ ব্যবসার নিরাপদ স্থান।
নিরাপত্তা দিচ্ছেন প্রশাসন, বিক্রি হচ্ছে গনমাধ্যম।
অসামাজিক হোটেল গুলোতে রয়েছে সাংবাদিকদের ভিজিটিং কার্ডের বান্ডিল। মাস শেষে কেউ ১০০ টাকা থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত লেবেল বুঝে ধার্য করে রেখেছে।
প্রতিদিন প্রশাসন তুলে চাদা, আবার সপ্তাহে মাসে তুলেন মোটা অংকের মাসোহারা।
সামাজিক নেতারাও পায় মাসোহারা।

এখন প্রশ্ন হলো উপরোক্ত নিয়মনীতিতে অবৈধ কি বৈধ হয়ে যায়?
এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে যেয়ে মামলা হামলা সহ নানান বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিকগণ।
হোটেলের নাম প্রকাশ করলে শেষ করা সম্ভব নয়! তথ্যের ভিত্তিতে আইন প্রয়োগকারীগণ যথাযত ব্যবস্থা নিতে হবে নতুবা বিশ্লেষকগণ বলেন অচিরেই সংবিধান বহির্ভুত কর্মকান্ড এভাবে শক্তিশালী ভুমিকা পালণে, দেশের সমাজ ব্যবস্থা সহ রাষ্ট্রীয় ভাবমূর্তির উপর আঘাত হানবে। সমভ্রমহীন হয়ে উঠবে দেশের কালচার।
পৃথীবিতে সকল অমানবিক ও অসামাজিক বিষয়গুলো, সামাজিকভাবে চলতে দেখা যায় তার প্রথম (ধাপ) রুপগুলো এমনই ছিল।

বিভিন্ন সময় ডেমরা মীরপাড়াস্থ হাজী মির্জা আলী সুপার মার্কেটে হোটেল ফেসি ইন আবাসিক হোটেল নামের অবৈধ বানিজ্য কেন্দ্রটিতে সাংবাদিকরা হয়রানীর শিকার হয়েছেন। তারা স্পষ্টভাবে এভাবেই বলে সাংবাদিকরা করবে নিউজ তাতে আমার (…… ছিড়া) কিছু আসে- যায়না।
প্রশাসন তাদের হাতে রয়েছে, এবং তাদের ওখানে নাকি প্রশাসনিক লোকদের আসা-যাওয়া বেশি হয়।
তাই বলিয়া সামাজিক নেতৃবৃন্দ যারা বিরোধিতা করে তাদেরকে হুমকি ধমকি ও মিথ্যা মামলা হয়রানীর ভয় দেখায় বলে জানান এলাকাসী।

এলাকাবাসী উদ্যোগ নেয় বন্ধ করে দেওয়ার জন্য, সামাজিক দালালরা ভয়ভীতি দিয়ে চুপ করিয়ে রাখেন।
ডেমরা থানার ওসি অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম সাথে এ বিষয়ে কথা বলা হয়েছে তিনি জানান, পুর্বে কি হয়েছে তা আমার দেখার বিষয় না। আমি তাদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি আমার থানা এলাকায় সামাজিক অবক্ষয়মুলক কার্যকালাপ চলবেনা। প্রমাণ পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গতানুগতিক বক্তব্য, ও গতানুগতিক অবৈধ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন, লাভ হচ্ছেনা দেশের, ক্ষতি হচ্ছে দেশ ও দশের। ডেমরা থানাধীন এই হোটেলটি নিয়ে গনমাধ্যম প্রিন্ট, ইলেকট্রনিকস অনেক মিডিয়ায় নিউজ ছাপিয়ে প্রতিকার মিলছেনা। গত ৪ জানুয়ারী ২০২২ সালে র‍্যাব ১০ অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে।
নিউজ হয়েছে একাধিক জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় স্থায়ী কোন সমাধান মিলছেনা আজও।
এসবের প্রতিকার চাইছেন দেশের গনমাধ্যমকর্মীরা।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা